মুয়াজ্জিন নামে মি'থ্যা মামলা প্র'ত্যাহারের দা'বিতে মসজিদ কমিটির ও মুসল্লীগনের গনসাক্ষর।
মুয়াজ্জিন নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মসজিদ কমিটির ও মুসল্লীগনের গনসাক্ষর।
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জে দামোদরপুর ইউনিয়ন জামালপুর পলিপাড়া গ্রামে বায়তুসসুজুদ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন রশিদুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহার দাবিতে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লীগনের গনসাক্ষর শুক্রবার ২৮ আগস্ট জুম্মা নামাজ শেষে সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগনেরা গনসাক্ষর কার্যক্রম আয়োজন করেন। ভুক্তভোগী মুয়াজ্জিন রশিদুল হকের
বরাতে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট মুয়াজ্জিন রশিদুল হকের বাসা পলিপাড়া গ্রামের বাসা থেকে ১ কিলোমিটার দূরে জিন্নাতারা বেগম বাড়ি।প্রতিবেশি এহিয়া বেগম সঙ্গে বিকেল ৫ টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জিন্নাতারা বেগম সঙ্গে ঝগড়া হয়।এতে এহিয়া বেগম ও তার পুত্র বুধু আহত হয়।পরে তারা বদরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভর্তি হোন।ঘটনার ১৫ দিন পর ২১ আগস্ট জিন্নাতারা বেগম বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় ৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।মামলার ঘটনার সময় উল্লেখ করেন রাত ৮ টা।মামলায় ৫ নং আসামি করা হয় মুয়াজ্জিন রশিদুল হককে।মামলায় মুয়াজ্জিন অপরাধের বিবরনী দেওয়া হয় জিন্নাতারা বেগমের পড়নের কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। মামলার হওয়ার পর সরোজমিনে যেয়ে পলিপাড়া মসজিদের কমিটি ও মুসল্লীগনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত ৮ টার দিকে মুয়াজ্জিন মসজিদের প্রবেশ করে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করেন।এরপর ৮ টা ১৫ মিনিটে আজান দেন।মুসল্লীরা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন,একজন ধর্মভীরু মুয়াজ্জিন নিরীহ ও সাদা মনের মানুষ। ঘটনার সময় তিনি মসজিদে অবস্থান করেন।অথচ তাকে ১ কিলোমিটার দূরের ঘটনায় মামলায় জড়ানো হয়েছে। এটা মিথ্যা ও
হয়রানীমূলক মামলা। এমামলা থেকে মুয়াজ্জিন রশিদুল হককে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। এবিষয়ে মামলার আইও বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক( এসআই) শচিন চন্দ্র রায়ের মুঠোফোনে কল দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মুঠোফোন সংযোগ কেটে দেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স